ডাচ বাংলা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা

ডাচ বাংলা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা বয়স ন্যূনতম ২১ বছর ও সর্বোচ্চ ৬০ বছর হতে হয়। আবার কার্ড পেতে সাধারণত ন্যূনতম ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা মাসিক আয় থাকতে হবে। ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের আবেদন করার জন্য বৈধ পরিচয় পত্র প্রয়োজন।

আপনাকে বৈধ পরিচয় পত্র যেমন- (NID) ভোটার আইডি কার্ড, সেলারি সার্টিফিকেট বা পে-স্লিপ এর সাথে ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং টিন (TIN) সার্টিফিকেট এর প্রয়োজন হবে। ক্রেডিট কার্ড নেওয়ার জন্য আপনার নিকটস্থ ডাচ বাংলা ব্যাংকের যেকোনো শাখায় যোগাযোগ করে আবেদন করতে হবে। 

পেজ সূচিপত্রঃডাচ বাংলা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা

ডাচ বাংলা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা

ডাচ বাংলা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার জন্য কিছু ক্রাইটেরিয়া পূরণ করতে হয়। বাংলাদেশে অনেক ব্যাংক রয়েছে তাদের মধ্যে ডাচ-বাংলা ব্যাংক অনেক বেশি পরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি ব্যাংক। তবে এসব ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার জন্য কিছু যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন। যে কেও চাইলে কোন ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড নিতে পারে না। ডাচ বাংলা ব্যাংক শুধুমাত্র চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ড প্রদান করে থাকে। 

তবে কি কি যোগ্যতা থাকলে আপনি ডাচ বাংলা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পেতে পারেন সে সম্পর্কে আপনার জানা অত্যন্ত প্রয়োজন ও গুরুত্বপূর্ণ। তবে সাধারণ ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি চরিত্র সংগ্রহ করতে চাইলে ইফতার কিছু যোগ্যতা এবং নির্দিষ্ট ব্যবসা থাকতে হবে। অথবা কোন বড় ব্যবসা থাকতে হবে। 

ডাচ বাংলা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

ডাচ বাংলা ব্যাংকে আপনার একটা একাউন্ট থাকতে বাধ্যতামূল।চাকরিজীবী হলে সর্বনিম্ন ছয় মাসের ব্যাংকের স্টেটমেন্ট দেখাতে হবে। এবং সর্বনিম্ন মাসের 30 হাজার টাকা বেতন থাকতে হবে। আমার চাকরিজীবী ব্যক্তির আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার বা তিন সার্টিফিকেট কাকে পরিচয় পত্র রেফারেন্স ইত্যাদি যথাযথ প্রদান করতে হবে। 

আর যদি ব্যবসায় হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির একটি ব্যাংক একাউন্টের বয়স হতে অত্যন্ত এক বছর। এবং এর সাথে জাতীয় পরিচয় পত্র ২ কপি ছবি ট্রেড লাইসেন্স ও রেফারেন্স থাকতে হবে।

আর আপনি যদি চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ী না হোন তাহলে যে পেশায় নিয়োজিত আছেন সে পেশার যথাযথ প্রমাণাদি প্রমাণ করতে হবে। এছাড়াও প্রয়োজনে কাগজপত্র যেমন জাতীয় পরিচয় পত্র ছবি বিদ্যুৎ বিল কিংবা গ্যাস বিল এর কপি ও রেফারেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। 

উপরে উক্ত তথ্যগুলো হচ্ছে ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ যোগ্যতা। এই উল্লেখিত কোন একটি যোগ্যতা আপনার না থাকলে যদি কার্ড আপনি নিতে পারবেন না।

ডাচ বাংলা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের ধরন সমূহ

ডাচ বাংলা ব্যাংকের ৫ ধরনের কার্ড রয়েছে। আপনি যদি ডাচ বাংলা ব্যাংকের গ্রাহক হয়ে থাকেন তাহলে এই ৫ ধরনের কার্ডের সেবা নিতে পারবেন।

এ সমস্ত কাজ গুলোর মধ্যে থেক এক একটি কার্ড ব্যাপারে কিছু একেক ধরনের বাৎসরিক বিল প্রধান করতে হয়। আর আপনি এই এক একটা কাদের একেক ধরনের সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকবেন। 

এই পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন কার্ড আপনি ডাচ বাংলা ব্যাংক থেকে নিতে পারবেন  সেই পাঁচটি কার্ডের নাম রয়েছে সে নাম নিচে মেনশন করা হলো:

  • 1. Instant debit card 
  • 2. Visa debit card 
  • 3. MasterCard debit 
  • 4. Visa international debit card
  • 5. Master card international debit cards 


Instant debit card. 

বাংলা ব্যাংকের পাঁচটি কার্ডের মধ্যে এই কার্ডটি রয়েছে। আপনি চাইলে এই কার্ডটি নিয়ে বাংলাদেশ থেকে যেকোনো ধরনের লেনদেন করতে পারবেন। 

এই কার্ডটি ব্যবহার এর ক্ষেত্রে প্রথম বছরে কোনো চার্জ দেওয়া লাগে না। প্রথম বছর সম্পূর্ণ ফ্রী। পরের বছর থেকে প্রতি বছরে 460 টাকা পে করতে হবে।

Visa debit card 

ডাচ বাংলা ব্যাংকের ভিসা কার্ড হলো মধ্যবিত্তদের জন্য। আপনি চাইলে ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের এই কার্ডটি নিতে পারবেন। এই কার্ড এর জন্যে উপরিউক্ত যোগ্যতা পরণ করতে হবে। 

এই কার্ডটি নেওয়ার জন্যে আপনাকে প্রথমে 806 টাকা পেইড করতে হবে। এবং প্রতিবছর 806 টাকাআপনার আপনাকে পরিশোধ করতে হবে। অথবা আপনার কার্ডে টাকা থাকলে অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নিবে।

MasterCard Dabit

 ডেবিট কার্ড ও ভিসা কার্ড এর থেকে মাস্টার কার্ডের চার্জ একটু বেশি। মাস্টার কার্ডে প্রতি বছরের 920 টাকা পরিশোধ করতে হয়। আপনি ভিসা কার্ড এবং ডেবিট কার্ড এর থেকে মাস্টার কার্ডে টাকা ব্যবহার করে লিমিট অনেক বেশি পাবেন। 

ভিসা কার্ড ডেবিট কার্ড ও মাস্টার কার্ড এই তিনটি কার্ড আপনি চাইলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ব্যবহার করতে পারবেন এবং যেকোনো রকমের লেনদেন এই কার্ডের মাধ্যমে করতে পারবেন।

Visa international debit card 

ভিসা ইন্টারন্যাশনাল ডেবিট কার্ড এর ব্যবহার করা মাধ্যমে আপনি চাইলে দেশের বাইরে ডুয়েল কারেন্সির মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারবেন। কারণ এই কার্ড ে বিদেশি কারেন্সি সাপোর্ট করবে যার মাধ্যমে আপনি চাইলে সহজে বিদেশি কারেন্সি আপনার একাউন্টে অ্যাড করতে পারবেন। 

আপনি এই কার্ডটি ব্যবহার করতে চান তাহলে প্রতিবছর আপনাকে ১৪৭৬ টাকা পরিশোধ করতে হবে। যদি আপনি এই কার্ডটি নিতে চান তাহলে প্রথমেই আপনাকে ১৪৭৬ টাকা পরিশোধ করে কার্ডটি নিতে পারবেন এবং পরবর্তীতে প্রতি বছরে আপনাকে 1474 টাকা ফ্রি হিসেবে পরিশোধ করতে হবে। 

Master Card international debit card

ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড হল ডুয়েল কারেন্সি কার্ড। এই কার্ডের মাধ্যমে আপনি দেশের এবং দেশের বাইরে ইন্টারন্যাশনালি যেকোনো ধরনের লেনদেন করতে পারবেন। 

এই কার্ডের ক্ষেত্রে আপনাকে বছরে ১৪ ৭৬ টাকা পরিশোধ করতে হবে। যে কেউ চাইলে এ কার্ড নিতে পারবে না। এই কার্ড নেয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই বড় ব্যবসায়ী হতে হবে অথবা বড় চাকরিজীবী হতে হবে।

ডাচ বাংলা ক্রেডিট কার্ড এর ব্যবহারের সুবিধা গুলো কি কি

ডাচ বাংলা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড থাকলে ব্যাংকে পার্টনার আউটলেটে ইন্সট্যান্ট পেতে অতিরিক্ত চার্জ ছাড়াই ফ্যাসিলিটি গ্রহণ করা যায়। যা জিরো পার্সেন্ট ইন্টারেস্ট এ ১৩০০+ ব্র্যান্ড শপে ৩ থেকে সর্বোচ্চ ৩৬ মাসের কিস্তিতে বিল পরিষদের সুযোগ পাওয়া যায়। দেশজুড়ে ১৮০০০ dbbl পি ও এস ও ৩০০০+ ই-কমার্স ওয়েবসাইট রয়েছে যা যা এখান থেকে ৩০% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট এ কেনাকাটা করা সুযোগ রয়েছে। চেকের বিকল্প হিসেবে চার ছাড়াই কার্ডের লিমিট থেকে আপনি ৮০% পর্যন্ত টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।

সে ক্ষেত্রে প্রতিদিন ১০০০ টাকার বিপরীতে ৫০ পয়সা ইন্টারেস্ট প্রদান করতে হবে। এতে আপনার মাসিক ১.৫% বা বার্ষিক ১৮ শতাংশ হারে ফান্ড ট্রান্সফার করা ছাড়াও কার্ড হতে রকেট, নগদ ও বিকাশে  এড মানি করার সুযোগ রয়েছে।

এছাড়ো ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের অনেক সুযোগ সুবিধা রয়েছে যার মধ্যে ইজি পে, ইজি লোন ও ইজি বাই করার সুবিধা। বাংলাদেশের ৫ তারকা হোটেল গুলোতে থাকছে বাই ওয়ান গেট থ্রী সুবিধা, ডাচ বাংলা ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে ইন্সুরেন্স সুবিধা রয়েছে। এছাড়াও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে লিমিট রিওয়ার্ড পয়েন্ট এর ফ্যাসিলিটি উপভোগ করতে পারবেন। এসব সুবিধার ছাড়াও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডে আরো অনেক ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।


ডাচ বাংলা ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার নিয়ম

ডাচ বাংলা ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে বা কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। সাধারণত ব্যাংক গ্রাহকদের তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

আপনার পেটে অনুযায়ী যোগ্যতা গুলো নিচে উল্লেখ্য করা হলোঃ

১। বেতনভুক্ত চাকরিজীবীদের জন্য

  • > বয়সঃ সর্বনিম্ন ২১ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
  • > মাসিক আয়ঃ সাধারণত সরকারি চাকরিজীবী বা বিষয়কে চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে মাসিক ২০ হাজার টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা হতে হয়(কারো ধরনের অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে)
  • > কাজের অভিজ্ঞতাঃ বর্তমানে কর্মস্থলে অন্তত ৬ মাস থেকে ১ বছরের কাজের বয়স হতে হবে।

২। ব্যবসায়ীদের জন্য

  • >  বয়সঃ ২১ বছর থেকে ৬৫ বছর হতে হবে।
  • > ব্যবসায়িক স্থিতিঃ ব্যবসা অন্তত দুই বছর ধরে চলমান থাকতে হবে।
  • > মাসিক আয়ঃ মাসিক গড় আয় ও অন্তত ৩০০০০ টাকা বা তার বেশি হতে হবে।

৩। অন্যান্য পেশাজীবীদের জন্য

  • > অন্যান্য পেশাজীবীদের জন্য পেশাগত সনদ থাকতে হবে এবং আয়ের উৎস নিয়মিত হতে হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আপনার যদি ডাচ বাংলা ব্যাংকের কোন ফিক্সড ডিপোজিট (এফডিআর) করা থাকে তাহলে সেই অর্থের ৯০% পর্যন্ত কার্ডের লিমিট পাবেন এবং কার্ড পেতে পারেন।

ডাচ বাংলা ক্রেডিট কার্ডের মাসিক চার্জ কত টাকা

ডাচ বাংলা ক্রেডিট কার্ডের চার্জ এর উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়। ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে লিমিট যদি আপনার ১০হাজার থেকে ৫০হাজার টাকার নিচে থাকে তাহলে বাৎসরিক ৫৭৫ টাকা চার্জ কাটা হয় তবে প্রথমে এক বছর ফ্রি ব্যবহার করা যায়। পরবর্তী বছর থেকে চার্জ নিয়মিত বাৎসরিক পরিশোধ করতে হয়। আবার ক্লাসের ক্ষেত্রে লিমিট যদি ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার উপরে হয় তাহলে বাৎসরিক চার্জ ৭৪৭ টাকা চার্জ কাটা হয়।

ভিসা ও মাস্টার গোল কার্ডের ক্ষেত্রে লিমিট যদি ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা নিচে হয় সেক্ষেত্রে বাৎসরিক চার্জ ৭৪৭ টাকা আবার ভিসা মাস্টারের গোল কার্ডের ক্ষেত্রে লিমিট যদি ১ লক্ষ্য থেকে ২ লক্ষ টাকার নিচে হয় সেক্ষেত্রে বাৎসরিক চার্জ ১১৫০ টাকা। আবার ভিসা মাস্টার কার্ড এর ক্ষেত্রে ক্ষেত্রে লিমিট যদি ২ লক্ষ থেকে ৩ লক্ষ টাকা নিচে হয় তাহলে বাৎসরিক চার্জ ১৭২৫ টাকা।

ভিসা প্লাটিনাম কার্ডের ক্ষেত্রে লিমিট যদি ৫ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকার নিচে হয় তাহলে বাৎসরিক চার্জ ৫৭৫০ টাকা। আবার ভিসা প্লাটিনাম কার্ডের ক্ষেত্রে লিমিট যদি ১০ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ মধ্যে হলে এর বাৎসরিক চার্জ ৬৯০০ টাকা। ডাচ বাংলা ভিসা কার্ডের মধ্যে টাইটানিয়াম কাদের ক্ষেত্রে লিমিট যদি এক লক্ষ থেকে দুই লক্ষ টাকার মধ্যে হয় তাহলে বাৎসরিক চার্জ ৩৪৫০ টাকা। আবার এই একই কার্ডের লিমিট যদি ২ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে হয় তবে বাৎসরিক চার্জ ৬০০ টাকা।

ডাচ বাংলা ক্রেডিট কার্ডের খরচের নিয়ম

ডাচ বাংলা ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার করা সুবিধাজনক কিন্তু এই কার্ডের বিল নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করতে হবে। এই কার্ড ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী আপনি এখন খরচ করছেন কিন্তু নির্ধারিত সময়ে সেই অর্থ ফেরত দিতে হবে। আপনি যদি নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ করতে না পারেন সেই ক্ষেত্রে অধিক সুদ দিতে হবে। এজন্য ডাচ বাংলা ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহারের নিয়ম জানা অত্যন্ত জরুরী।

ব্যাংক থেকে আপনি কার্ড পাওয়ার পর আপনাকে পিন নাম্বার সেভ করতে হবে পিন নাম্বারটি আপনাকে ব্যাংক থেকে সার্ভার করে থাকবে। প্রতি মাসে আপনি যে পরিমাণ টাকা খরচ করবেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটাকে পরিশোধ করলে কোন ধরনের সুদ যোগ হয় না। এই ক্ষেত্রে আপনি সুদ এড়াতে পারবেন। 

ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে ১হাজার থেকে ৩হাজার টাকা পর্যন্ত বার্ষিক চার্জ কাটা হয়। তবে অনেক ব্যাংক নির্দিষ্ট পরিমাণে লেনদেন হলে চার্জ মওকুফ করে দেয়। তাই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে আগে থেকেই আপনাকে এই ধরনের সার্ভিস সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে তাহলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে অতিরিক্ত টাকা খরচ হবে না।

বাংলাদেশের ক্রেডিট কার্ড প্রচলন যেভাবে শুরু হয়

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ১৯ ৯৭ সালে এ এন জেড গ্রিনলেজ ব্যাংক (বর্তমানে স্টান্ডার্ড চার্টাড) ব্যাংক প্রথম ক্রেডিট কার্ড সেবা নিয়ে আসে। এর কিছুদিন পরে তৎকালীন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ভনিক বাংলাদেশ (এখন লংকা বাংলা ফাইন্যান্স) ও ন্যাশনাল ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের সেবা চালু করে। এরপরে আস্তে আস্তে অন্যান্য ব্যাংকগুলো এই কার্ডের সেবা চালু করে। 

বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় 40 টির মতো ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড সেবা দিচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিটা ব্যাংকেই ভিসা কার্ড ক্রেডিট কার্ড মাস্টার কার্ড সেবা চালু আছে। তবে বাংলাদেশ এ কার্ডগুলোর পরেও কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান অন্যান্য কার্ড সেবা চালু করছে। যেমন সিটি ব্যাংক এক্সাম, প্রাইম ব্যাংক জেবিসি, ইস্ট্রান ব্যাংক লিমিটেড(ইবিএল) ডাচ বাংলা ব্যাংক নেক্সাস পে ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ইউনিয়ন পে ইন্টারন্যাশনাল কার্ড সেবা দিচ্ছে।

ডাচ বাংলা ব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল কার্ড নেওয়ার রিকোয়ারমেন্ট

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল কারেন্সি সাপোর্ট ক্রেডিট কার্ড রয়েছে, ডেবিট কার্ড রয়েছে এই সমস্ত কার্ড নেয়ার জন্য আপনাকে কিছু ইনফরমেশন ব্যাংকে প্রদান করতে হবে। আপনি যদি এই কার্ডগুলো নিতে চান তাহলে ব্যাংকে গেলে আপনার কাছ থেকে কিছু ইনফরমেশন চাইবে। ইনফরমেশন গুলো দিলে আপনাকে কার্ড ব্যাংক থেকে প্রদান করা হবে।

ইনফরমেশন গুলো হলঃ

  • আপনার এক কপি ছবি
  • আপনার যে পাসপোর্ট হয়েছে সেই পাসপোর্ট
  • ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ফটোকপি
  • ই টিন সার্টিফিকেট থাকলে সেই ই টিন সার্টিফিকেটের ফটোকপি জমা দিতে হবে

ওপরের এই ইনফরমেশন গুলো নিয়ে আপনি যদি ব্যাংকে জমা দিতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনি ডুয়েল কারেন্সি ক্রেডিট কার্ড ব্যাংক থেকে নিতে পারবেন। আর ডাচ বাংলা ব্যাংক কার্ড সম্পর্কে যে তথ্য ছিল সেই তথ্য সম্পর্কে আশা করি আপনি জেনে নিতে পেরেছেন। 

শেষ কথাঃডাচ বাংলা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা কি কি এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। আশা করি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মাস্টার কার্ড পাওয়ার নিয়ম সহ ডাচ বাংলা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা, চার্জ সুবিধা এবং প্রকারভেদ এই সবগুলো আপনার অনেক উপকারে আসবে।

আমাদের আজকের আর্টিকেলটিতে আলোচনা করা হয়েছে ডাচ বাংলা ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড সুবিধা সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। ভালো লাগলে অবশ্যই কষ্ট করে শেয়ার করবেন আর যে কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমরা চেষ্টা করব আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বাংলা ওয়ে ব্লগের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
M H Biplob
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও বাংলা ওয়ে ব্লগ ওয়েবসাটের ওনার। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৩ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।